মুকুল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
৫ আগস্টের পর থেকে দেশ এক নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ করেছে। ১২ তারিখের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বহু প্রাণের বিনিময়ে শুরু হয়েছে নতুন সূচনা। তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই নির্বাচনে ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করে কী পেলেন?
বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের শেহুলিয়াবাড়ি গ্রামে দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট না দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী মো. জেল হোসেনের ছেলে শাকিল আহমেদকে একই গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক হাজীর ছেলে মো. বেলাল হোসেন (গোপালনগর ইউ.এ.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক) এবং তার ছেলে মেহেদি হাসান মারধর করেন বলে অভিযোগ। মেহেদি হাসান সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে দাড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্ট ছিলেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী জেল হোসেন ও তার ছেলে শাকিল আহমেদ জানান, “ভোটের দুই দিন পর বেলাল হোসেন, হেলাল উদ্দিন ও বেলালের ছেলে মেহেদি আমাদের কাছে এসে গালিগালাজ শুরু করে। আমরা কারণ জানতে চাইলে তারা বলে, ‘তুই দাড়িপাল্লায় ভোট না দিয়ে ধানের শীষে কেন ভোট দিলি?’—এ কথা বলেই তারা আমাদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।”
পরবর্তীতে উপায়ান্তর না পেয়ে তারা ধুনট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. বেলাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে গোপালনগর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. আমানুল্লাহ খান জানান, বেলাল হোসেন কোনো সাংগঠনিক পদে নেই। তবে তিনি দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন এবং ভোট চেয়েছেন। এছাড়া তার ছেলে মেহেদি হাসান ভোটকেন্দ্রে দাড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তিনি জানান।