বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যাবস্থাপনা কমিটির সার্বিক ত্বত্তাবধায়নে ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধে প্রতিরোধক স্প্রে করা হয়। পাশাপাশি বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এলাকাবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরী। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব,পরিত্যক্ত পাত্র ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এলাকাবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
স্প্রে করা শেষে শহীদ মিনার মোড়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাজার কমিটির সভাপতি মো: শোয়ায়েব হোসেন গাজী বলেন' ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাজার কমিটি এবং এ অভিযান চলমান থাকবে।
পরিশেষে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহবান জানান।