২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এই আন্দোলনের সঙ্গে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, বৈষম্যহীন সমাজ, সুশাসন এবং দুর্নীতি-অনিয়মমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা জড়িয়ে ছিল। সাধারণ মানুষের আশা ছিল, ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতিতেও মৌলিক পরিবর্তন আসবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি বাড়বে, ঘুষ ও দুর্নীতি কমবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরবে। কিন্তু সরকার পরিবর্তন আর রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন এক বিষয় নয়। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পালাবদল ঘটলেও দুর্নীতির সুযোগ, প্রশাসনিক দুর্বলতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জনসেবার সংকট থেকে গেলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয় না। তাই প্রশ্ন উঠেছে, আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, তার সুফল সাধারণ মানুষ কতটা পেয়েছেন?
দুর্নীতির পরিস্থিতি মূল্যায়নে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতি ধারণা সূচক একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নির্দেশক। সংস্থাটির ২০২৫ সালের সূচক ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এতে বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ২৪ এবং ১৮২টি দেশের মধ্যে অবস্থান ১৫০তম। ২০২৪ সালের তুলনায় স্কোর এক পয়েন্ট বেড়েছে। তবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এই সামান্য উন্নতিকে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও দুর্নীতি প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের প্রমাণ হিসেবে দেখেনি। সংস্থাটির মূল্যায়নে রাষ্ট্র সংস্কারের ধীরগতি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, দুর্নীতি ধারণা সূচক সরকারি খাতের দুর্নীতি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের ধারণার ভিত্তিতে তৈরি হয়; এটি দেশে সংঘটিত সব দুর্নীতির ঘটনার সরাসরি গণনা নয়। তবু এই সূচক দেশের সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের পরিস্থিতি মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ।
আন্দোলনের পর জনগণের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া আর দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করা এক বিষয় নয়। সরকারি কেনাকাটা, উন্নয়ন প্রকল্প, নিয়োগ, ঠিকাদারি, ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা এবং আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধারের কার্যকর উদ্যোগ থাকতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ক্ষমতার প্রভাব যেন কাউকে আইনের আওতার বাইরে রাখতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের অন্যতম মাপকাঠি হলো জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান এবং আয়-রোজগারের পরিস্থিতি। বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল প্রকাশিত বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় দারিদ্র‍্যরে হার ২০২২ সালের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে। একই প্রতিবেদনে ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশের পর্যায়ে ছিল এবং নিম্ন আয়ের মানুষের মজুরি পণ্যমূল্যের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এসব তথ্য দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ তুলে ধরে। তবে দারিদ্র‍্য ও মূল্যস্ফীতির পেছনে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যা, অভ্যন্তরীণ নীতি এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণ কাজ করে। তাই নির্দিষ্ট সময়ের সব অর্থনৈতিক সমস্যার দায় এককভাবে কোনো একটি সরকারের ওপর চাপানোর পরিবর্তে তথ্য ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা প্রয়োজন।
দ্রব্যমূল্যের চাপ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের ব্যয় বাড়লে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় খরচ কমাতে হয়। আয় বাড়ার তুলনায় ব্যয় দ্রুত বাড়লে মানুষের সঞ্চয় কমে যায় এবং ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর বাজার তদারকি, সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা এবং তরুণদের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ বাড়ানো জরুরি। এসব ক্ষেত্রে বাস্তব অগ্রগতি না এলে রাষ্ট্র সংস্কারের সুফল সাধারণ মানুষের জীবনে অনুভূত হবে না।
দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ব্যাংক খাতের সুশাসনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের ২৪ জুন প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত ২০২৬ সালের মার্চের শেষে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছিল, যা দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকগুলোর গড় ৭ দশমিক ৯ শতাংশের তুলনায় অনেক বেশি। বিশ্বব্যাংক ব্যাংক খাতে দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেছে। এই পরিসংখ্যান ব্যাংক খাতের গভীর সংকট তুলে ধরে। তবে খেলাপি ঋণের সবটাই একই ধরনের অনিয়মের ফল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। ঋণখেলাপি, জালিয়াতি, রাজনৈতিক প্রভাব কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ না করার মতো বিষয়গুলো আলাদা করে তদন্ত ও মূল্যায়ন করতে হবে। ব্যাংক খাতের সংস্কারে ঋণ অনুমোদনের স্বচ্ছতা, ঋণ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বাধীনতা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
রাষ্ট্র সংস্কারের ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও শাসনব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জোরালো হয়। বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন এবং সুপারিশ প্রণয়নের মাধ্যমে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু কমিশন গঠন, সুপারিশ তৈরি এবং বাস্তবে তা কার্যকর করা এক বিষয় নয়। কোনো সুপারিশ গৃহীত হয়েছে কি না, আইন বা বিধিমালায় পরিবর্তন এসেছে কি না, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নতুন দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে কি না এবং নাগরিকেরা বাস্তবে কী সুবিধা পেয়েছেন—এসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। সংস্কারের অগ্রগতি পরিমাপের জন্য নির্দিষ্ট সূচক ও সময়সীমা থাকা উচিত। সরকারি সেবা পেতে গড় সময় কমেছে কি না, অভিযোগ নিষ্পত্তির হার বেড়েছে কি না, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে কি না এবং দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, সেসব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে জনগণ নিজেরাই সংস্কারের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে পারবেন।
গণতন্ত্রের ভিত্তি শুধু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন নয়; এর সঙ্গে জড়িত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষমতার জবাবদিহি। সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা, তথ্য চাওয়া, অনিয়মের অভিযোগ জানানো এবং সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরার সুযোগ থাকতে হবে। তথ্যভিত্তিক সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের দুর্বলতা শনাক্ত ও সংশোধনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব হলো অভিযোগ ও প্রমাণের পার্থক্য বজায় রাখা, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং যাচাই ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন না করা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে নিরপেক্ষ তদন্ত, যথাযথ প্রমাণ সংগ্রহ এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। আইনের প্রয়োগ সবার ক্ষেত্রে সমান হওয়াই সুশাসনের অন্যতম শর্ত।
আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের কাজের মূল্যায়ন হতে হবে ফলাফলের ভিত্তিতে। কতটি সভা হয়েছে, কতটি ঘোষণা এসেছে কিংবা কতটি কমিশন গঠিত হয়েছে—শুধু এসব দিয়ে অগ্রগতি পরিমাপ করা যায় না। দেখতে হবে দুর্নীতি কমেছে কি না, সরকারি সেবার মান বেড়েছে কি না, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে কি না এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে কি না। সরকারি ব্যয় ও উন্নয়ন প্রকল্পের তথ্য সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর পদ্ধতি এবং স্বাধীন তদন্তব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দরিদ্র মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সমন্বিত নীতি প্রয়োজন।
রাষ্ট্র সংস্কার কোনো একক সরকার, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একার দায়িত্ব নয়। রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সংবাদমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষেরও এতে ভূমিকা রয়েছে। তবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব যাঁদের হাতে থাকে, তাঁদের কাছেই জনগণের প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি। তাই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা এবং ভুল হলে তার দায় নেওয়ার মানসিকতা নেতৃত্বের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান হতে হবে দল-মতনির্বিশেষে সমান, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়িত্ব পালনে কার্যকর হতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকতে হবে জনগণের স্বার্থ।
৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান মানুষের মনে পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি করেছিল, তার মূল্যায়ন করতে হবে দীর্ঘমেয়াদি ও যাচাইযোগ্য ফলাফলের ভিত্তিতে। বিশ্বব্যাংকের দারিদ্র‍্য ও অর্থনীতিসংক্রান্ত তথ্য, ব্যাংক খাতের ঝুঁকি এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতি ধারণা সূচক দেশের সামনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে। এসব তথ্য দিয়ে এককভাবে প্রমাণ করা যায় না যে কোনো পরিবর্তনই হয়নি; তবে এগুলো দেখায়, দুর্নীতি প্রতিরোধ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের ক্ষেত্রে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার পরিবর্তন একটি রাজনৈতিক ঘটনা, কিন্তু জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন নির্ভর করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কতটা কার্যকর, অর্থনীতি কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ক্ষমতাবানদের জবাবদিহি কতটা নিশ্চিত তার ওপর। আন্দোলনের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ব্যবস্থা, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, কর্মসংস্থান এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বাস্তব অগ্রগতি দেখাতে হবে। প্রকৃত পরিবর্তনের মাপকাঠি তাই শুধু সরকার বদল নয়; বরং রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনায় কতটা পরিবর্তন এসেছে, দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে কী অগ্রগতি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা স্বস্তি ফিরেছে। এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে ঘোষণায় নয়, বাস্তব ফলাফলে। জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেই আন্দোলনের প্রত্যাশা বাস্তব অর্থে পূর্ণতা পাবে।