চট্টগ্রামের কক্সবাজার মহাসড়কের উত্তর সাতকানিয়া মৌলবি দোকানের মিনিবাস ও সিএনজির মুখোমুখি দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুইজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়।
শুক্রবার রাত অনুমানিক ৮ টায় সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে এ সময় উত্তেজিত জনতা মিনি বাসটিতে আগুন লাগিয়ে দেন এবং মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রাখেন খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানা পুলিশ দুর্ঘটনা স্থানে আসলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন ৩ ঘন্টা সড়ক অবরোধ থাকার পর সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় পুলিশ অবরোধকারীদের ধাওয়া দিলে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
অন্যদিকে মহা সড়কের দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে স্থানীয়রা জানান
দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচলের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে কথিত টোকেন বাণিজ্য ও মাসোহারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষের পর সাতকানিয়া থানা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি স্থানীয়দের
একই সঙ্গে দোহাজারী হাইওয়ে থানার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসির দায়িত্ব ও ভূমিকা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
থানা পুলিশের ওপর হামলা যেমন নিন্দনীয়, তেমনি হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগও উপেক্ষণীয় নয়। আইনের শাসন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
প্রায় তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে দুর্ঘটন স্থানের উপস্থিত উত্তেজিত জনতা আহত তিনজনের মধ্যেই এক ধরনের অবস্থা গুরুতর।