দেশজুড়ে আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন

Date: 2022-09-21
news-banner

ষ্টাফ রিপোর্টার:

দেশজুড়ে আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন। হাট-বাজার সয়লাব হয়ে গেছে এ সব পলিথিনে। প্রকাশ্যে বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে পলিথিন-শপিংব্যাগ। নিষিদ্ধ পলিথিন শপিংব্যাগে রাজধানীসহ গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার এখন সয়লাব হয়ে গেলেও প্রশাসন রয়েছে নীরব। ফলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নাকের ডগায় প্রকাশ্যে বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে এসব পলিথিন শপিংব্যাগ। দেশর আনাচে-কানাচে মিলছে বেআইনি এসব পলিথিন। এতে চরম ক্ষতিতে পড়ছে পরিবেশ । অথচ দায়িত্বশীলরা এসব দেখেও না দেখার ভান করছে। কোথায় নেই পলিথিন? অবাধ পলিথিনের ব্যবহারের কারণে এখন আর কেউ চট বা কাগজের ব্যাগ ব্যবহারই করছেনা। 

১৯৮২ সালের দিকে শুরু হয় পলিথিন শপিং ব্যাগের প্রচলন। ব্যবহারে সুবিধা এবং স্বল্পমূল্যের কারণে দ্রুত ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় পলিথিন ব্যাগ। ব্যবহার যেমন বাড়তে থাকে তেমনি ধীরে ধীরে পলিথিন যে পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, তা প্রকাশও হতে থাকে। এভাবেই সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়। ২০০১ সালের মার্চ মাস থেকে সারাদেশে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য পরিবহন, বাজারজাত এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ করে সরকার।

রাজধানীর পুরান ঢাকায় গড়ে উঠেছে তিন শতাধিক পলিথিনের কারখানা আর সারা দেশে এক হাজারের বেশি অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছে। নিষিদ্ধ এ পণ্যের কারখানা দেয়া, তৈরি, পরিবহন ও বাজারজাতকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালি সিন্ডিকেট। 

বার্তা বিচিত্রা অনুসন্ধানে দেখা গেছ, রাজধানী লালবাগ, কামালবাগ, ইসলামবাগ, শহীদনগর, খাজা দেওয়ান, কিল্লার মোড়, বেগমবাজার, চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, ছোটকাটারা, বড়কাটারা, মৌলভীবাজার, রহমতগঞ্জ, মিটফোর্ড, ফরিদাবাদ ও ইমামগঞ্জ এলাকা উৎপাদিত পলিথিন রাজধানী চাহিদা মিটিয়ে দেশর গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার যাচ্ছে। 

ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির আড়ালে সারা দেশে নিষিদ্ধ পলিথিন সরবরাহ করে প্রতি রাতে লক্ষ-লক্ষ টাকার বাণিজ্য করছে পুরান ঢাকার কয়েকটি পরিবহন কোম্পানির গড়ে তোলা সিন্ডিকেট। বার্তা বিচিত্রা অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে থলের বিড়াল। একই পরিবারের চার সহদর ভাই মিলে গড়ে তুলেছেন নিষিদ্ধ পলিথিন সরবরাহ সিন্ডিকেট। (বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন পত্রিকায়)

Leave Your Comments