‎রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে রকি হত্যা: শরীয়তপুর থেকে মামলার আসামি আরমান গ্রেপ্তার

Date: 2025-12-04
news-banner

ফরহাদ হোসেন মুরাদ:

‎রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মুদিদোকানি কর্মচারী শাহদাত ইসলাম রকি (২৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. আরমানকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০ ও পুলিশের যৌথ দল। গ্রেপ্তারকৃত আরমান একজন পেশাদার অপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও দস্যুতাসহ চারটি মামলা রয়েছে।
‎মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানাধীন চামটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎র‍্যাব-১০ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ২ ডিসেম্বর (সোমবার) ভোররাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন পূর্ব ইসলামনগর এলাকায় একটি পরিকল্পিত সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসীরা রকিকে ধারালো চাকু দিয়ে দুই উরুতে উপর্যপুরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎নিহত রকি গত ১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরদিন ভোরে তার স্বজনরা খবর পান যে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন।

‎প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রকি মাদকাসক্ত এবং এলাকায় স্থানীয় গ্রুপিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি নিজেকে পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আধিপত্য বিস্তার ও সোর্স পরিচয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

‎এ ঘটনায় নিহতের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৪) দায়ের করা হয়। মামলার পর তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব-১০।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে আসামি আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরমানের বাবার নাম মো. খায়রুল তালুকদার।

‎র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি আরমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও দস্যুতার চারটি মামলা রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Leave Your Comments