বুলবুল আহমেদ - রংপুর ব্যুরো চীফ।
রংপুর জেলার ০৮টি উপজেলায় এবং মহানগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানে যেখানে-সেখানে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। গোটা জেলায় যেখানে সেখানে গড়ে উঠেছে প্রায় কয়েকশত দোকান।
স্থানীয়রা বলছেন, অনুমোদন বা রক্ষনাবেক্ষণ সঠিকভাবে না থাকায় সবসময়ই ঝুঁকি ও আতঙ্কের মাঝে থাকতে হয় তাদের। রাস্তার মোড়, অলিগলিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বিপদজনক। দ্রুত বিষয়টিকে নজরদারির আওতায় আনার দাবি তাদের। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, আবাসিক এলাকাসহ রাস্তার ধারের দোকানগুলোতেও অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। এসব দৃশ্য পাগলাপীর বাজার, তারাগঞ্জ বাজার, সিও বাজার, উত্তম হাজিরহাট বাজার, উত্তম হাসনা বাজার, মেডিকেল মোড়, ধাপ, গংগাচড়া বাজারসহ জেলা ও মহানগরে অবস্থিত কমবেশি সব হাট-বাজারেরই।
বেশিরভাগ গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা চলছে লাইসেন্স কিংবা অনুমোদন ছাড়াই। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, এসব গ্যাস সিলিন্ডার যেভাবে রাখা হয়েছে তা ঝুঁকিপূর্ণ। এসব দেখলেই কেমন জানি লাগে। আসলে আমরাই সচেতন নই। এ অবস্থায় আমরা জেলা প্রশাসনসহ বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সহযোগিতা কামনা করছি। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েকজন খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, লাইসেন্স পেতে ভোগান্তির কারণে নিয়মনীতি মেনে চলার আগ্রহ নেই বেশিরভাগ ব্যবসায়ীদের মাঝে। আজকে পাড়ার দোকানগুলোতেও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে আর আমরাতো বাজারে বিক্রি করি। আমরাও ম্যানেজ করে চলি।