নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের মুসলিম ব্লক এলাকায় নুর হোসনের বাড়ির পাহাড়ি মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নজরদারিকে তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্যেই পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়ের বড় একটি অংশ কেটে ফেলা হয়েছে। মাটি কাটার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ট্রাক্টর ও শ্রমিক। পাহাড়ের ঠিক উপরে বসতঘর থাকায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম সামনে থাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এভাবে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং হুমকির মুখে পড়ছে আশপাশের বসতবাড়ি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,দিনের বেলাতেই প্রকাশ্যে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। বর্ষায় যদি পাহাড় ধসে পড়ে তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
পরিবেশ সচেতন মহলের দাবি, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ছে ভূমিধসের ঝুঁকি। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে পাহাড়ের মালিক নুর হোসন বলেন, আমার বাসার চারদিকে মাটি কাটা হয়ে যাওয়ায় আমার বাড়িতে প্রবেশ ঝামেলা হয় এবং বাড়িটি ভেঙে পড়ার আশংকা রয়েছে। ফলে একটি রাস্তার কাজের মাটি প্রয়োজন হওয়ায় আমিও মাটি দিতে ইচ্ছুক হই।
এ বিষয়ে লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, যেহেতু বিষয়টি আপনারা অবগত করেছেন সেহেতু আমি ছুটিতে থাকায় অফিসার ইনচার্জকে বলেছি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।