নিজস্ব প্রতিনিধি :
গাজীপুরের Dhaka University of Engineering & Technology (DUET)–এ নবনিযুক্ত উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। পূর্বঘোষিত ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসের সব ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
সকাল থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং প্রশাসনিক ভবনেও তালা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি।
গত বৃহস্পতিবার সরকার Mohammad Iqbal–কে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে এই নিয়োগের বিরোধিতা করে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আন্দোলনে নামে। তাঁদের দাবি, বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় ভিসি অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শিক্ষক থেকে নিয়োগ দিতে হবে।
এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল, ‘লাল কার্ড’ কর্মসূচি এবং ঢাকা–শিমুলতলী সড়কে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটায়। গত রোববার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন—
১) নবনিযুক্ত ভিসির নিয়োগ বাতিল
২) ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষককে ভিসি হিসেবে নিয়োগ
৩) সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিচার
এদিকে নতুন ভিসি দায়িত্ব গ্রহণ করলেও তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি এবং অনলাইনে শিক্ষক–কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বলে জানা গেছে।
ডুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন পক্ষের উপস্থিতি ও অবস্থান লক্ষ্য করা গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ দায় স্বীকার করেনি। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকেও পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
Gazipur Police জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।