নিজস্ব প্রতিনিধি :
কালবৈশাখীর ভয়াবহ ঝড়ের তাণ্ডবে নাটোরের সিংড়া উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের চারটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের পর থেকে অন্তত ৪০টি পরিবার এখনো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
Singra Upazila উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের থেলকুড়, মালকুড়, ভোগা ও হাপুনিয়া গ্রামে গত শনিবার মধ্যরাতে হঠাৎ দমকা হাওয়ার সঙ্গে ঝড় শুরু হয়। এতে আধা-পাকা ও টিনশেড ঘরের ছাউনি উড়ে যায়, বেড়া ধসে পড়ে এবং বহু ঘরবাড়ি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের সময় ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, ধান-চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। অনেক পরিবার রাতভর ভেজা অবস্থায় কাটাতে বাধ্য হন। পরে স্থানীয়রা কিছু খাবার ও কাপড়চোপড় দিয়ে সহায়তা করলেও ঘর মেরামত করা সম্ভব হয়নি।
রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, চারটি গ্রামের বাড়িঘর লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে আছে। চারদিকে কাদা, ভেজা কাপড় ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ঘরের আসবাবপত্রের দৃশ্য। অনেক পরিবার এখনো খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করছে।
থেলকুড় গ্রামের বাসিন্দা ময়না বেগম বলেন, “রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম, হঠাৎ ঝড়ে ঘরের চাল উড়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি সব শেষ।”
হাপুনিয়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিন জানান, মাত্র আধা ঘণ্টার ঝড়েই পুরো গ্রাম তছনছ হয়ে যায়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুমার কুন্ডু বলেন, অন্তত ৪০টি পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে Anwarul Islam বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।