রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ, পদায়ন ও পদোন্নতির জন্য প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশ এবং ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের খোলস বদলে পেশাগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের আরবরিকালচার বিভাগের উপবিভাগীয় কর্মকর্তা (এসডিও) মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, শ্রমিকের মজুরি ও তালিকা ব্যবস্থাপনায় অসংগতি, দাপ্তরিক শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং পদায়নসংক্রান্ত অভিযোগের পক্ষে একাধিক পুরোনো দাপ্তরিক নথি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে এসব অভিযোগের সর্বশেষ অবস্থা, বিভাগীয় তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।
অভিযোগ রয়েছে, অতীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সমর্থক হিসেবে পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর ডিও লেটার এবং প্রত্যয়নপত্রের মাধ্যমে পেশাগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন। রাজনৈতিক ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরও সুবিধাজনক পদায়ন ও পেশাগত অবস্থান ধরে রাখতে তিনি নতুন রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাববলয় কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। তবে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট প্রমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, বগুড়া-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত একটি প্রত্যয়নপত্রে মোয়াজ্জেম হোসেনকে দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ওই প্রত্যয়নপত্রে বলা হয়, তিনি ১৯৯১ সাল থেকে বিভিন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন এবং দলটির একজন জোরালো সমর্থক। একজন সরকারি কর্মকর্তার রাজনৈতিক পরিচয়সংক্রান্ত এ ধরনের প্রত্যয়নপত্র কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনো পদায়ন বা পেশাগত সুবিধা অর্জনের সম্পর্ক ছিল কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। কেবল রাজনৈতিক সমর্থনের প্রত্যয়নপত্র থাকাই কোনো অনিয়মের প্রমাণ নয়; এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক নথিও পর্যালোচনা করা জরুরি।
২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে একটি আধা-সরকারি পত্র পাঠান। ডিও নম্বর ১৫.০০.০০০০.০০১.১৯.০০১.১৮-৭১৬৪-এর ওই পত্রে রাজশাহী গণপূর্ত আরবরিকালচার উপবিভাগের কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনকে প্রধান বৃক্ষপালনবিদের চলতি দায়িত্বে পদায়নের জন্য ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয় বলে প্রাপ্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে। একজন কর্মকর্তার পদায়নের জন্য তৎকালীন মন্ত্রীর সুপারিশ কেন করা হয়েছিল, এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট পদায়ন বিধিবিধান অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ নথি পদায়নের জন্য সুপারিশের বিষয়টি তুলে ধরলেও একে এককভাবে অনিয়মের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থসংক্রান্ত একটি পুরোনো অভিযোগ উঠে এসেছে ২০১২ সালের দাপ্তরিক নথিতে। গণপূর্ত আরবরিকালচার বিভাগের তৎকালীন প্রধান বৃক্ষপালনবিদ কাজী হাকিমুর রশিদ স্বাক্ষরিত স্মারক নম্বর ১৭১/৩১২, তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১২-এর নথিতে অনুমোদন ও তালিকা ছাড়া কর্মচারী নিয়োগ দেখিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি ৩ হাজার ৯২৯ টাকা উত্তোলনের অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। নথি অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ সত্ত্বেও ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া এবং সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। তবে এ ঘটনায় পরবর্তী সময়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল কী ছিল, অর্থ আদায় করা হয়েছিল কি না এবং কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট আদেশ ও নথি থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
পুরোনো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের পাশাপাশি গণপূর্তের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিভিন্ন কাজ ও দাপ্তরিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগের পক্ষে ভিডিওচিত্রসহ তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। তবে এসব ভিডিওচিত্রের উৎস, ধারণের সময়, প্রেক্ষাপট এবং অর্থ লেনদেনের প্রকৃতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কাজের কার্যাদেশ, বিল-ভাউচার, মেজারমেন্ট বুক, ঠিকাদারদের বক্তব্য এবং অর্থ লেনদেনের অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক জবাবদিহির প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হবে।
মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের শেরাটন হোটেল শাখা, ঢাকা থেকে অর্থঋণ মামলা দায়েরের তথ্যও সংগৃহীত নথিতে রয়েছে। নথি অনুযায়ী, অর্থঋণ মামলা নম্বর ৯০/২০১০-এ অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৭(১) ধারার অধীনে মামলা করা হয়েছিল। সমন্বিত অর্থঋণ আদালত-১, ঢাকা থেকে ২ লাখ ৬ হাজার ৫৪১ টাকা পরিশোধ এবং আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে সমন জারির তথ্যও উল্লেখ রয়েছে। তবে মামলাটির বর্তমান অবস্থা, আদালতের চূড়ান্ত আদেশ, অর্থ পরিশোধ কিংবা অন্য কোনো নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা প্রত্যয়িত আদালত-নথি থেকে যাচাই করা প্রয়োজন। অর্থঋণ মামলা থাকা মাত্রই দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয় না; তবে মামলার প্রকৃতি ও পরিণতি জানা থাকলে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া সম্ভব।
মোয়াজ্জেম হোসেনকে ঘিরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নথির কথা জানা গেছে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ও তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাদের চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি তদন্ত প্রতিবেদন থেকে। প্রতিবেদনের স্মারক নম্বর ৩৩৭/১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গভবন, গণভবন, সংসদ ভবন, মন্ত্রীদের বাসভবন ও বাংলাদেশ সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় তাঁকে পদায়ন না করার সুপারিশ করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সুপারিশটি কোন অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছিল, এটি চূড়ান্ত তদন্ত সিদ্ধান্ত ছিল কি না এবং পরবর্তী সময়ে কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল, তা মূল প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আদেশ যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া দরকার।
মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের মজুরি ও তালিকা ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও পুরোনো দাপ্তরিক নথিতে রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধান বৃক্ষপালনবিদের কার্যালয়ের ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখের একটি স্মারক অনুযায়ী, অফিসে নিয়োজিত ডে-টু-ডে শ্রমিকদের নির্ধারিত হারের তুলনায় কম মজুরি দেওয়া এবং একই শ্রমিকের নাম তালিকায় একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে তদন্তের প্রসঙ্গ উঠে আসে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে শ্রমিকদের মূল তালিকা, হাজিরা খাতা, মজুরি বিতরণের রেজিস্টার, বিল-ভাউচার এবং তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা শ্রমিক নিয়োগ, মজুরি প্রদান ও সরকারি অর্থ ব্যয়ের হিসাবরক্ষণে গুরুতর অনিয়মের ইঙ্গিত দিতে পারে।
দাপ্তরিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগেও মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অতীতে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের তথ্য রয়েছে। ২০০৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি স্মারক নম্বর ২৫৬/১-এর মাধ্যমে নিয়মবহির্ভূত চিঠি প্রদান ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছিল বলে সংগৃহীত নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকার কারণেও তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর জবাব কী ছিল, কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেছিল কি না এবং কোনো বিভাগীয় শাস্তি দেওয়া হয়েছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট নথি থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত এসব অভিযোগের পরও মোয়াজ্জেম হোসেন বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের আরবরিকালচার বিভাগের এসডিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। এ অবস্থায় পুরোনো অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তদন্তে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে আর্থিক অনিয়ম, শ্রমিকের মজুরি ও তালিকাসংক্রান্ত অভিযোগ, শৃঙ্খলাভঙ্গের নোটিশ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পদায়ন না করার সুপারিশের পর কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাববলয় ব্যবহার করে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার চেষ্টা করেছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। অতীতে আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে সংসদ সদস্যের প্রত্যয়নপত্র এবং পদায়নের জন্য তৎকালীন মন্ত্রীর ডিও চিঠির নথি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পেশাগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। অতীতের নথি এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগ আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
একজন সরকারি কর্মকর্তার পদায়ন ও পদোন্নতি নির্ধারিত বিধিবিধান, যোগ্যতা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। রাজনৈতিক সুপারিশের প্রভাব থাকলে তা সংশ্লিষ্ট নথি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পুরোনো অভিযোগগুলোর তদন্ত ও নিষ্পত্তির অবস্থা প্রকাশ করা হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পথ আরও সুস্পষ্ট হবে।
মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর প্রকৃত অবস্থা জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ ও কথিত ভিডিওচিত্রের সত্যতা যাচাই, সরকারি অর্থ উত্তোলনের নথি পরীক্ষা, শ্রমিকদের মজুরি ও তালিকা পর্যালোচনা এবং পুরোনো বিভাগীয় তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংগ্রহ করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, কোনো অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়ে থাকলে বা প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তও সমান গুরুত্বে প্রকাশ করা জরুরি।
সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তের বক্তব্য গ্রহণ এবং নথিভিত্তিক সিদ্ধান্ত প্রকাশের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন সম্ভব। তাই মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বর্তমান অবস্থা, বিভাগীয় তদন্তের ফলাফল এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।