প্রতারণার দায়ে সাজা ভোগ করেও চাকরিতে বহাল ইবি কর্মচারী

Date: 2023-08-18
news-banner



আহসান হাবীব রানাইবি প্রতিনিধি


চেক ডিজঅনারের দায়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবিজাতির পিতা ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এলএমএসএস(ঝাড়ুদারহাফিজুর রহমান একটি প্রতারণার মামলায় সাজা ভোগ করেছেন। আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত হওয়ার পর ১০ মাসকারাভোগ রেন হাফিজ।


তবে তিনি এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীতে বহাল রয়েছেন।  ঘটনায় হাফিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি হতে অপসারণ চেয়েতদন্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী আকবর হোসেন। 


আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ.এম আলী হাসান। ভুক্তভোগী আকবরহোসেন কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।


জানা যায়ইবি কর্মচারী হাফিজুর রহমান আকবর হোসেনের কাছ থেকে  লক্ষ টাকা ধার হিসাবে গ্রহণ করেন। ধারের টাকাপরিশোধের জন্য ২০১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর অগ্রনী ব্যাং কুষ্টিয়া শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ০২০০০০২৯০৫৫৫১ হতেহাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত  লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন এবং গদায়নের জন্য পরামর্শ দেন। যার নম্বর O1A ৪৪৩০৩১৩।


পরে একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর হাফিজুরের পরামর্শে ব্যাংক থেকে টাকা নগদায়নের জন্য গেলে ব্যাংক র্তৃপক্ষ নিয়মানুসারেব্যাংক অ্যাকাউন্টে অপর্যাপ্ত তহবিল  স্বাক্ষর মিলে না বলে চেক ডিজঅনার করে ডিজঅনার স্লিপ প্রদান করেন। চেকডিজঅনারের বিষয়টি জানানো হলেও হাফিজু অর্থ পরিশোধ করেনি।


পরে হাফিজুরের ঠিকানায় ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধের জন্য লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলে লিগ্যাল নোটিশ গ্রহন না করায়কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট দালতে মামলা করেন আকবর হোসেন।


এদিকে হাফিজুরের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমান ওয়ায় গ্রেফতার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের তারিখহতে ১০ মাসের কারাদন্ড এবং চেকে উল্লিখিত  লক্ টাকা অর্থদন্ড দেন বিজ্ঞ আদালত। পরে হাফিজুরকে ২০২১ সালের আগস্ট গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।


জানতে চাইলে ভুক্তভোগী আকবর হোসেন বলেনহাফিজুর রহমান একজন ক্তিশালী প্রতারক চক্রের সদস্য। সে আমার সাথেপ্রতারণা করেছে। সেটি আদালতে প্রমানিত হয়েছে। জেল খেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে কিভাবে হাফিজ। তাইআমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হাফিজের অপসারণ চেয়ে আবেদন করেছি। 


 বিষয়ে অভিযুক্ত হাফিজুর বলেন, সব অভিযোগ মিথ্যা।  আমার চাকরী খাওয়ার জন্য এরকম করতেছে।


 বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেনকোনো কর্মচারীকে আদালত শাস্তি দিলেবিশ্ববিদ্যালয় র্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক তাঁকে বরখাস্ত করার এখতিয়ার রাখে। অভিযুক্ত কর্মচারী যেহেতু হল প্রশাসনের অধীনস্ততাই হল প্রশাসনের সিদ্ধান্ত সুপারিশ আকারে পাঠাতে হবে। তারপরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন  ব্যাপারে বিধি মোতাবে বরখাস্তকরবে।


 বিষয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শে মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মাহবুবুল আরফিন বলেনহাফিজুর ১০ মাসজেলে থাকার পরে সে চাকরিতে বহাল থাকবে কিনা না সেটা তো আমার হাতে না। এই বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরহাতে।

Leave Your Comments