শাহ্ আলমঃ
গত কাল সকাল দশটায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পূর্নবতী গ্রামের হাইউল মিয়ার ছেলে আয়ান (৩) নামের শিশুটি তার মায়ের ধর্মের ভাই নাটরের বাপ্পি হাসান নামক এক যুবক অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে দাবী শিশুটির পরিবারের। খোজঁ নিয়ে জানা যায় শিশু আয়ানের মা পাকিজা বেগমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে রং নাম্বারে পরিচয় হয় বাপ্পি হাসান নামের এক যুবকের সঙ্গে।
মোবাইলে কথা বলতে বলতে একসময় বাপ্পি এবং পাকিজা বেগমর মধ্যে ধর্মের ভাই বোন সম্পর্কে গড়ায়। ধর্মের ভাই সূত্রে একমাস পূর্বে পাকিজার শশুর বাড়ি পূর্নবতীতে বেড়াতে আসে বাপ্পি হাসান নামের ঐ যুবক, তখন পাকিজা বেগমের স্বামী ও শশুর শাশুড়ীর সঙ্গেও সু সম্পর্ক গড়ে উঠে বাপ্পির।
তখন বেশ কিছু দিন বেড়ানোর পরে বাপ্পি চলে যায় ঢাকায়। সব শেষ গত দুদিন পূর্বে পুনরায় পাকিজা বেগমের বাড়ীতে এসে হাজির হয় বাপ্পি, এসময় পাকিজার স্বামী হাইউল মিয়া কর্মের তাগিদে ছিলেন ঢাকায়, তবে পাকিজা বেগম এবং তার শশুর শাশুড়ী মিলে বেশ আদর যত্ন করেন তাকে। একদিন পর গত কাল বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় শিশু আয়ান কে নিয়ে বাড়ীর পাশে যায় বাপ্পি হাসান, প্রথম এক দোকান থেকে একটি জুস কিনে দেয় শিশুটিকে কিছু দুর গিয়ে আরেক দোকান থেকে আরো দুটো জুস কিনে দেয় আয়ান কে।
কিছু সময় পর স্থানীয় একটি বাজারে চলে যায় বাপ্পি হাসান এসময় ঐ শিশুর বোন তাকে দেখতে পেয়ে বাড়ীতে নিয়ে আসতে চায় তখন আয়ান আসতে চাইলেও বাপ্পি হাসান বলে না আমরা পরে যাবো তুমি চলে যাও এ-ই বলে তার বোন কে পাঠিয়ে দেয়। সময় গড়ালে আয়ান কে নিয়ে আসতে দেরি দেখে শিশুটির মা বাপ্পি কে ফোন দিলে মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় সন্দেহ হয়।
তখন শিশুর খোঁজে নেমে পড়ে পরিবারের লোকজন তবে শিশু আয়ানের খোঁজ মেলেনি এখনো।
অপহরন কারি যুবকের বাড়ী নাটোরে তিনি ঢাকায় থাকেন এবং পরিচয় দিয়েছেন সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগে কর্মরত আছেন তিনি।
এবিষয়ে শিশু আয়ানের মা পাকিজা বেগম কোটালীপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন বলে জানান তিনি।