স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর মুগদা এলাকায় প্রশাসনের নাকের ডগায় অবাধে চলছে মরন নেশা মাদক ও জুয়া। বিশেষ করে মুগদা স্টেডিয়ামের পিছনে, মানিকনগর বালুর মাঠ, মান্ডা, মদিনাবাগ এসব এলাকার অলিতে গলিতে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবৈধ মরন নেশা মাদক ব্যবসার মহোৎসব বসে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মুগদা স্টেডিয়ামের পিছনের অংশে জনসম্মুখে যেন মরণ নেশা ইয়াবা,গাজা,ও হিরোইনের হাট বসেছে।এসব মাদক ব্যবসায়ীদের আতঙ্কে কেহ দেখেও যেন কিছু বলছে না। মদিনাবাগের ময়লারডিপু এলাকাতে ও পরিচিত মাদকের আখড়া হিসেবে এখানেও সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘদিন যাবত সকল রকমের মাদক বিক্রি করছে আসছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ- প্রশাসন সব জেনেও রহস্যজনক নীরবতায় আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে এ চক্রকে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মানিকনগরের মোজাম্মেল সাহেবের বাড়ির নিচের চায়ের দোকান গুলোতে প্রতিনিয়ত ক্রিকেট, ফুটবল, মোবাইল গেমস ও লুডুর আড়ালে চলছে জুয়ার আসর। একইভাবে মান্ডার অলিগলিতে প্রায় দুই ডজনের মতন জুয়ার আসর রয়েছে এসব জুয়ার আসরে প্রতিনিয়ত সকাল থেকে বিকাল সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জুয়ার আসর বসানো হয়। মান্ডার অনেক স্থানে টিনের ঘর বানিয়ে বসানো হয়েছে জুয়ার টেবিল, আবার মুড়িওয়ালা গলিতে চলছে দাদনের বিশাল জুয়ার ব্যবসা তিনি বিএনপির কর্মী বলেও পরিচয় দিয়ে থাকেন । এর সাথে সমান্তরালভাবে গাঁজা, ফেনসিডিল, হিরোইন ও ইয়াবার বেচাকেনাও জমজমাট। এলাকাবাসী বলছে, জুয়ার আসরকে ঘিরেই মাদক ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠেছে।
এলাকার অনেকের অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় যুবদল ও বিএনপি কর্মীরা এ অবৈধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। মানিকনগরে যুবদল নেতা আলামিনের নেতৃত্বে একাধিক জুয়ার বোর্ড খোলা হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনই এখানে লক্ষ লক্ষ টাকার জুয়ার আসর বসে, দিন-দুপুরে দূর-দূরান্ত থেকে জুয়াড়িরা ভিড় জমায়। জুয়া ও মাদক আসরের কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে, অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসরকে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।
আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে, মাদক ও জুয়া চক্র প্রশাসনও প্রভাবশালী নেতাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে থাকে। এর বিনিময়ে পুলিশ লোক দেখানো মাদকবিরোধী মিটিং করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয় না। এক সিন্ডিকেট সদস্য সরাসরি স্বীকার করেছে, আমরা থানাকে টাকা দেই, দলের প্রোগ্রামে কিশোর গ্যাং সরবরাহ করি, তাই আমাদের ব্যবসা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। এ ব্যপারে মুগদা থানার ওসি সাজেদুর রহমানের জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন প্রমাণ পেলে নিউজ করেন।
বিস্তারিত আসছে খুব শীঘ্রই।