স্টাফ রিপোর্টার:
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা রাধা গবিন্দ কর্মকার ও বীনা পানি কর্মকারের পুত্র গণেশ চন্দ্র কর্মকার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করেও একজন পরিচিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সনদ ও ভাতা সহ সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গণেশ চন্দ্র কর্মকার তার দুই সন্তানকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করিয়েছেন। এর ফলে রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার কর্মী ইমতিয়াজ কবির ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)-এর মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন। আবেদনটি স্মারক নং-৯৪৯ এবং এতে দাবি করা হয়েছে, "মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করে রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা ভোগ এবং সন্তানদের অবৈধভাবে চাকরিতে নিয়োগ; তাই মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও কোটা বাতিল করা হোক।"
জামুকার মহাপরিচালক ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শুনানির দিন ধার্য করেন। এর আগে, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে হাজির থাকার নোটিশ প্রদান করা হয়।
অভিযোগকারী ইমতিয়াজ কবির সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে হাজির হলেও, গণেশ চন্দ্র কর্মকারের পক্ষে তার পুত্র অরূপ কর্মকার আংশিক কাগজপত্র নিয়ে ৩/৪ বছরের এক শিশু কোলবালা নিয়ে উপস্থিত হন। এর আগে নোটিশ পাওয়ার পর অরূপ কর্মকার বারবার ইমতিয়াজকে ফোন করে হুমকি প্রদান করেন এবং বলেন, “তার বড় বোন ইলোরা কর্মকার ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত আছেন; তাই তাকে শিক্ষা দিয়ে ছাড়বেন।”
পরবর্তীতে, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে অভিযোগকারী ইমতিয়াজ মহাপরিচালক শাহিনা খাতুনকে অরূপ কর্মকারের হুমকির বিষয়টি জানিয়ে সান্ত্বনা পান। তবে শুনানি চলাকালীন অরূপ কর্মকারের অসদাচরণ ঘটায়। অভিযোগকারী বলেন, শুনানিতে কিছু প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তরও দিতে পারেননি অরূপ কর্মকার।
এই বিষয়ে আমাদের প্রতিনিধি তথ্য সংগ্রহ করে রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে।