তাছলিমা তমাঃ
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিমানবন্দর থানা যুবদলের নেতা,জুলাইযুদ্ধে সনদপ্রাপ্ত সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ তারেক লস্কর আজ বিনা চিকিৎসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
দেশের ক্রান্তি লগ্নে সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে দু’বার গুলিবিদ্ধ হয়ে বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে যন্ত্রণাময় জীবনযাপন করলেও এই সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
খবর নেয়নি দল বা সমাজের কোনো মানবীক সংগঠনও, যেখানে লস্করদেরকে পুঁজি করে দেশের শত শত কোটি টাকা লোপাট করে পকেট ভরছেন টাউট বাটপাড়েরা আর সেখানে আজ বিনা চিকিৎসায় মরছেন তারেক লষ্করের মত শত শত জুলাই যোদ্ধারা
তথ্য সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সৈরাচার সরকার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন ছাত্র নেতা তারেক লষ্কর।
এরপর ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরায় সৈরাচার সরকার পতন আন্দোলনের সময় পুনরায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। মাথা ও শরীরে এখনো একাধিক স্পিলিন্টার রয়ে গেছে, যার কারণে তিনি সম্পূর্ণভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন।
শরীরে গুলি থাকার কারণে কোনো ভারী কাজ করতে পারেন না তিনি। আর্থিক সংকটে পড়ে এখন স্ত্রী ও দুই কণ্যা সন্তান নিয়ে দারিদ্রতার কষাঘাতে দিনাতিপাত করছেন তিনি।
তার স্ত্রী বলেন “আমার স্বামী এখন একেবারে অসুস্থ অবস্থায় আছেন। কোনো কাজ করতে পারেন না।
দুই কণ্যা সন্তান নিয়ে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। তিনবেলা ঠিকমতো খেতে পারি না। চিকিৎসার খরচ চালানো তো দূরের কথা, সংসারই চলছে না এখন ঠিক মতন। আমাদের দেখার মতো কেউ নেই।”
তারেক এর একাধিক প্রতিবেশীরা জানান “ ২০২৪ এর ১৮ জুলাই আমরা প্রথম শুনেছিলাম তারেক লস্কর মারা গেছেন। পরে জানতে পারি তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবিত আছেন। সেই থেকে তিনি অসুস্থতায় ভুগছেন এখনও তারেক এর উন্নত চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।
সমাজের বিত্তবান অথবা কোনো মানবীক সংগঠনের কেউ পাশে দাঁড়ালে হয়তো এই পরিবারটা বেঁচে যাবে।” পরিবারের দাবি তারেক লষ্কর জুলাই যুদ্ধের সনদপ্রাপ্ত হলেও নেই কোনো সহায়তা
, জুলাই যোদ্ধা হিসেবে সনদপ্রাপ্ত এই সাবেক ছাত্রনেতা এখনো কোনো সরকারি বেসরকারি বা রাজনৈতিক সহায়তাও পাননি তিনি।
চিকিৎসা খরচ ও সংসারের ব্যায় মেটাতে তারা এখন সমাজের মানবিক সহায়তার অপেক্ষায়। সমাজের বিত্তবান ও মানবীক সেবকদের কাছে সহায়তার আহ্বান জানান তারেক লস্করের স্ত্রী ও এলাকাবাসীরা“তারেক লস্করের চিকিৎসা ও পরিবারের সহায়তায় এগিয়ে আসুন।
একটি অসহায় পরিবারকে বাঁচাতে আপনাদের সাহায্যই হতে পারে এক মাত্র আশার আলো”