যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি রাজ্যের বিমানবন্দরে ইউপিএস এমডি-১১ কার্গো বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় সব ক্রু নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজন ক্রুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। এতে আরও ১১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দেশটির ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (FAA) তথ্য অনুযায়ী, এমডি-১১ কার্গো বিমানটি ইউপিএস ফ্লাইট ২৯৭৬ নামে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে হোনোলুলুর উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। উড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানের এক ডানায় আগুন দেখা যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে থাকা অবস্থায় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর হঠাৎ নিচের দিকে পতিত হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। আশপাশের শিল্প ভবনগুলোতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে, আর ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাটিতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং ১১ জন দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
এর আগে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছিল, লুইসভিল মুহাম্মদ আলী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওই ঘটনায় আহত ১১ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা জোনাথন বেভিন বলেন,
“আহতদের অনেকেই গুরুতর অবস্থায় আছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
কেন্টাকি রাজ্যের গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ নিহতদের শনাক্ত করতে এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে কাজ করছে।
লুইসভিলের মেয়র ক্রেইগ গ্রিনবার্গ বলেন,
“সব জরুরি সেবা ঘটনাস্থলে কাজ করছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থলে আগুন জ্বলতে থাকে, তবে দ্রুতই তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।”
মার্কিন জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড (NTSB) দুর্ঘটনার তদন্তের নেতৃত্ব দেবে, যেখানে FAA সহায়তা করবে।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, বিমানের কোনো ইঞ্জিন উড্ডয়নের সময় বিচ্ছিন্ন হয়েছিল কি না—কারণ রানওয়ের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসাবশেষ ও যন্ত্রাংশ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
দেশটির ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (FAA) তথ্য অনুযায়ী, এমডি-১১ কার্গো বিমানটি ইউপিএস ফ্লাইট ২৯৭৬ নামে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে হোনোলুলুর উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। উড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানের এক ডানায় আগুন দেখা যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে থাকা অবস্থায় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর হঠাৎ নিচের দিকে পতিত হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। আশপাশের শিল্প ভবনগুলোতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে, আর ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাটিতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং ১১ জন দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
এর আগে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছিল, লুইসভিল মুহাম্মদ আলী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওই ঘটনায় আহত ১১ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা জোনাথন বেভিন বলেন,
“আহতদের অনেকেই গুরুতর অবস্থায় আছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
কেন্টাকি রাজ্যের গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ নিহতদের শনাক্ত করতে এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে কাজ করছে।
লুইসভিলের মেয়র ক্রেইগ গ্রিনবার্গ বলেন,
“সব জরুরি সেবা ঘটনাস্থলে কাজ করছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থলে আগুন জ্বলতে থাকে, তবে দ্রুতই তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।”
মার্কিন জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড (NTSB) দুর্ঘটনার তদন্তের নেতৃত্ব দেবে, যেখানে FAA সহায়তা করবে।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, বিমানের কোনো ইঞ্জিন উড্ডয়নের সময় বিচ্ছিন্ন হয়েছিল কি না—কারণ রানওয়ের বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসাবশেষ ও যন্ত্রাংশ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।