রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ সালের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে ৭১০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল চেয়েছে Joint Response Plan। খাদ্যনিরাপত্তা, সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মোট আটটি খাতে কক্সবাজার ও ভাষানচরের প্রায় ১৫ লাখ মানুষের সহায়তায় এই অর্থ প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর গুলশান-এ জাতিসংঘের দপ্তরে আয়োজিত এক সভায় United Nations High Commissioner for Refugees ও অন্যান্য সংস্থা যৌথভাবে এই তহবিল পরিকল্পনা উপস্থাপন করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং ৩ লাখের বেশি স্থানীয় জনগোষ্ঠী সহায়তার আওতায় থাকবে। মূলত কক্সবাজারের ক্যাম্প এলাকা এবং ভাসানচর-এ স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের জন্য এই সহায়তা দেওয়া হবে।
চলতি বছরের জেআরপিতে খাদ্যনিরাপত্তা খাতে সর্বোচ্চ প্রায় ২৫৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া আশ্রয়, সুরক্ষা, পানি-স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতেও বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব এম ফরহাদুল ইসলাম, কেলি ক্লিমেন্টস, নিয়ারাদজায়ি গুমবুন্দজভান্দা, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কর্মকর্তা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জন্য ঘোষিত তহবিলের মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৩ শতাংশ অর্থ সংগ্রহ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া বিভিন্ন দাতা সংস্থা বাকি অর্থ জোগানে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানানো হয়।