ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ২৮ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেছে তাওহীদ হৃদয়ের দল। ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে বড় ব্যবধানে জয়ের প্রয়োজন থাকলেও শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে টাইগাররা।
বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে সুবিধা করতে পারেনি দলের ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা আসে ওপেনার তানজিদ হাসানের উইকেট হারিয়ে। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে উইকেটরক্ষক রহমানউল্লাহ গুরবাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৬ বলে মাত্র ১ রান করেন তানজিদ।
এরপর একই বোলারের গতির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। তাঁর বিদায়ে মাত্র ৬ রানেই ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার আগেই সপ্তম ওভারে আরও দুটি উইকেট হারায় দল। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে আউট হন সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও বর্তমান অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ফলে ২৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে ম্যাচে কঠিন চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
এ অবস্থায় দলের হাল ধরার চেষ্টা করছেন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। তাঁদের ব্যাটিংয়ের ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের ইনিংস কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানে অলআউট হয় দলটি।
অন্যদিকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের ম্যাচে ২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। এতে ১৫৮ রানের বড় জয় পেয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায় আফগানিস্তান। এ কারণে বাংলাদেশের জন্য আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি কার্যত বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। ফাইনালে ওঠার আশা ধরে রাখতে হলে শুধু জয় নয়, রান রেটের হিসাবেও এগিয়ে থাকতে হবে টাইগারদের। ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় নিতে হতে পারে বাংলাদেশকে।