Marco Rubio বলেছেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং দুই দেশের মধ্যে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সম্ভাবনা খুবই কম।
তিনি এ মন্তব্য করেন এমন সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে মার্কিন নাগরিকদের হত্যা এবং দুটি বিমান ভূপাতিত করার অভিযোগ আনে।
রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক সমাধান চাইলেও প্রেসিডেন্ট Donald Trump দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন।
তবে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ এসব অভিযোগকে “মিথ্যা” বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কিউবাকে চাপ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
রুবিও কিউবাকে “সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক” বলেও মন্তব্য করেন, যা হাভানা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।
এদিকে কিউবায় দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও খাদ্য ঘাটতি পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও তেল সরবরাহ বন্ধের কারণে এ সংকট আরও গভীর হয়েছে।
চীন ও রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থানকে সমালোচনা করে কিউবার ওপর চাপকে “জবরদস্তি” বলে আখ্যা দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প কিউবাকে “ব্যর্থ রাষ্ট্র” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলানোর সুযোগ রয়েছে।