তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির

Date: 2026-05-23
news-banner

চলমান যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘাত বন্ধে মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) ও সেনাপ্রধান সৈয়দ আসিম মুনির। শুক্রবার (২২ মে) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, তেহরানে পৌঁছানোর পর ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি তাকে স্বাগত জানান। এ সময় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভিও উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সফরকালে আসিম মুনির ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চলমান আলোচনা, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলার পর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পাশাপাশি লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যেও সংঘর্ষ বিস্তৃত হয়। বর্তমানে কার্যকর থাকা নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পূর্ণাঙ্গ শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি।

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই পাকিস্তান কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করেছে।

এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সমঝোতা না হলেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভিও দ্বিতীয়বার তেহরান সফর করেন এবং ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চাওয়া হলেও এখনো অগ্রগতি হয়নি। তিনি হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তাও দেন।

অন্যদিকে কাতারের একটি প্রতিনিধিদলও তেহরানে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে কাতারও সংঘাত নিরসনে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।

Leave Your Comments