দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক Tofail Ahmed আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
পারিবারিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগে নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর Bhola জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি Dhaka University Central Students' Union-এর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তোফায়েল আহমেদ একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।